June 20, 2024

ঈদের / ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ত ও নিয়ম বিস্তারিত – purepdfbook

ঈদের নামাজের নিয়ত বাংলায় ও আরবিতে

ঈদের নামাজের নিয়ত বাংলায় ও আরবিতে, ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম, ঈদের নামাজ কি ওয়াজিব না সুন্নত, ঈদের নামাজের খুতবার নিয়ম, ঈদের নামাজ কত রাকাত, ঈদের নামাজ ঘরে পড়ার নিয়ম, ঈদুল ফিতরের নামাজের তাকবীর, ঈদের নামাজের সময়

ঈদুল ফিতরের / ঈদের নামাজে আজান দেওয়া হয়না, এই নামাজ অন্যান্য নামাজের মতো কাজা
আদায় করার ও কিন্তু সুযোগ নেই। প্রতিটি জামে মসজিদে ঈদের নামাজের একটি নির্দিষ্ট টাইমে এ নামজটি সবাই একত্রে সম্পন্ন করা হয়। ঈদুল ফিতরের নামাজ ওয়াজিব।

আরবিতে – ঈদের / ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়তঃ

“নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতা সালাতি ঈদিল ফিতর, মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।”

আপনি যদি আরবি নিয়তটি না পারেন তাহলে বাংলায় ও নিয়ত করতে পারেন, তবে আরবিতে করাই বেশী উত্তম।

বাংলায়- ঈদের / ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়তঃ

“ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায় করছি।”

ঈদের / ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের নিয়ম (বিস্তারিত)

ঈদের প্রথমে নিয়ত করে আল্লাহু আকবার বলে হাত বাধবেন, এরপর আপনি সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা 👈 এই ছানাটি পড়বেন।

আল্লাহু আকবার বলে ৩ বার তাকবির বলতে হয়, প্রথম দুই বার কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু তৃতীয়বার বলে হাত বেঁধে নেন সবাই। প্রতিটি তাকবিরের পর তিনবার সুবহানাল্লাহ বলা যায় এমন সময় থেমে থাকতে হয়।

এরপর ইমাম সাহেব বিসমিল্লহ পড়ে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরা মিলিয়ে পড়েন, এরপরে অন্যান্য সব নামাজের মতোই রুকু ও সিজদা করে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে হয়। এরপরে সূরা ফাতেহা পড়ে অন্য একটি সূরা মিলিয়ে পড়া হয়। এরপরে ৩ বার আল্লাহু আকবার  বলে তিনটি তাকবির সম্পন্ন করতে হয়। প্রতিটি তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে হয় এবং ৪র্থ বার আল্লাহু আকবার বলে হাত না বেঁধে, রুকুতে চলে যেতে হবে।

তারপর সেজদা ও আখেরি বৈঠকের পর সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ হয়।

মনে রাখবেন, ঈদুল ফিতরের খুতবা শুনাও কিন্তু অনেক সওয়াব। নামাজ শেষে ইমাম সাহেম খুতবা পাঠ করেন যা শোনা ওয়াজিব।
ভূল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।